ত্রিপুরা ফোকাস

No result ..

সাহিত্যের পাতা

মহাসত্যের বিপরীতে (পর্ব - ৭ )

শ্যামল ভট্টাচার্য

মহাসত্যের বিপরীতে  (পর্ব - ৭ )

সাত. আজব জন্মবৃত্তান্ত

দীর্ঘ দু’মাস হাসপাতালে শুয়ে থেকে পাঁজরের হাড় জোড়া লেগেছে পানচুকের। ছুটি পেয়েই সে সার্জেন্ট আলোক মিত্রের কাছে বইটি নিতে যায়। আলোক বইটা সম্পূর্ণ পড়ে নিয়েছে। দ্বিতীয়বারও পড়া হয়ে গেছে। সে বইটা পানচুককে দিয়ে দেয়। পড়া না হলেও দিয়ে দিতে হতো। পরদিন সকালেই পানচুক তার গ্রামে ফিরে যাবে। আবার হয়তো মাস তিনেক পর ফিরবে। আবহাওয়া ভাল থাকলে আলোকও দু’দিন পর হেলিকপ্টারে লেহ্ ফিরবে। সেখান থেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অন্ততঃপক্ষে ২০-২২ দিনের ছুটিতে আগরতলা যেতে চায়। অনেকদিন হয়ে গেছে অন্তরা-তোড়া, বাবা-মা আর অঞ্জনাকে দেখেনি সে। এই বই পানচুকের পারিবারিক সম্পত্তি। তার ঠাকুর্দা আর ঠাকুরমার প্রেমকথা লেখা রয়েছে যে। আলোকের মনে পড়ে সেই প্রেমিক দম্পত্তির দীর্ঘযাত্রার কথা। লাহসাগামী সেই নকল তীর্থযাত্রী দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছিল যে হাসিমুখ যুবকটি, তার ছোটবেলা ছিল বেশ কষ্টের। তার জন্মবৃত্তান্তও রহস্যাবৃত। তার মা ছিল এক ধনী কৃষকের ক্রীতদাসী। কিন্তু তার বাবা যে ঠিক কে ছিল সেই হদিশ এমনকি তার মা-ও ঠিকভাবে দিতে পারেনি।

Read more...

মহাসত্যের বিপরীতে (পর্ব - ৬)

শ্যামল ভট্টাচার্য

মহাসত্যের বিপরীতে (পর্ব-৬)

ছয়. কিন্টুপের কাঠি

সোনার কাঠি রূপোর কাঠি নয়। পণ্ডিত কিন্টুপের কাঠি।ছোট লাঠিও বলা যায়।

 কিন্টুপের গল্প অলক আগেও শুনেছে; ভাসা ভাসা। কিন্তু দার্জিলিং এর সেই অবিরাম বৃষ্টি ঝড়া দুপুরেপাহাড়ের গায়ে তৈরি অধ্যাপক পরিমল ভট্টাচার্যের ভাড়াবাড়িতে বসে বিস্তারীত জানলো। বিমানবাহিনীর চাকরি ছেড়ে সবে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পেয়েছে অলক। সেই সূত্রেই দার্জিলিং। সেখানে এই প্রথম একজন বাঙালিকে পেল যিনি তিব্বত নিয়ে আগ্রহী। ঘরের পেছনের দেওয়ালটা পাহাড়ের গা বলে অঝোরে জলধারা নেমে ঘরের মধ্যেই তৈরি নালা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছিল। বয়সে ছোট পরিমলবাবু তিব্বতে ব্রিটিশের পাঠানো ভারতীয় গোয়েন্দাদের সম্পর্কে অনেক তথ্য জোগাড় করেছেন, আরও তথ্যের সন্ধানে আছেন, তাদের নিয়ে লিখবেন। এর আগেও  দার্জিলিং এর শাংগ্রিলা বারে তাঁর সঙ্গে ঘন্টাদুয়েক কথা হয়েছে। অলক ঐতিহাসিক নয়। এসব কথা শুনতে শুনতে তাঁর মনে মাঝেমধ্যেই একটা সমান্তরাল গল্প চলে। ব্যক্তিগত অনেক বিষয়ে ইতিহাস কথা বলে না। সেখানে সেতু বাঁধতে হয় কল্পনা দিয়ে।

Read more...

পুণ্যশ্লোক’দা দাঁড়াও, আমি তোমার হাত ধরব

জুবিন ঘোষ

পুণ্যশ্লোকদা দাঁড়াও, আমি তোমার হাত ধরব

(Memories of poet Punyaslok Dasgupta Part 1)

হ্যাঁ, শিরোনামের ঠিক এই বাক্যগুলোই লেখা ছিল পুণ্যশ্লোক’দার লেখা জুবিনপর্ব–এর ২য় কবিতায়। আজ সত্যিই ইচ্ছে করছে শেষবেলায় যদি হাতটা ধরতে পারতাম পুণ্যশ্লোক’দা অনেক শান্তি পেতেন। ক’দিন আগেই আমাকে ডেকেছিলেন, কিন্তু আমি যেতে পারিনি, ঠাকুমা মারা গেছিলেন, বিপর্যস্ত ছিলাম মানসিকভাবে। ফোনটা এসেছিল ১৮ই জুলাই নাগাদ। তিন–চারদিন পরেই ছিল শ্রাদ্ধ। সেই কথা বলে বললাম, একটু সময় দাও আমি আসছি। উনি বললেন, “তুমি এলে আমার লেখাগুলোর একটা ব্যবস্থা করা করব। অনেক লেখা পড়ে আছে, পরের বইগুলো ঠিক করে করতে হবে। অনেক লেখাপত্তর আছে, বই অনেক পড়ে আছে, এছাড়াও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক কবিতা। তুমি এলে ঠিক করব।“

Read more...

  ত্রিপুরা ফোকাস  । © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ত্রিপুরা ফোকাস ২০১০ - ২০১৭

সম্পাদক : শঙ্খ সেনগুপ্ত । প্রকাশক : রুমা সেনগুপ্ত

ক্যান্টনমেন্ট রোড, পশ্চিম ভাটি অভয়নগর, আগরতলা- ৭৯৯০০১, ত্রিপুরা, ইন্ডিয়া ।
ফোন: ০৩৮১-২৩২-৩৫৬৮ / ৯৪৩৬৯৯৩৫৬৮, ৯৪৩৬৫৮৩৯৭১ । ই-মেইল : This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.